বিদ্যুৎ ব্যবহারে নাগরিকদের যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, বিদ্যুতে ভর্তুকি দেওয়া ঠিক নয়। বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ সবাইকে দিতে হবে। সেদিকে খেয়াল রেখে সবাইকে তৈরি হতে হবে। তাতে আরও বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে।
প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগের শেখ ফজলে নূরের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
দেশের ৬২ শতাংশ মানুষ বিদ্যুতের আওতায় রয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু রাজধানীবাসীকে নয়, সারা দেশকে লোডশেডিংমুক্ত করতে চাই। বিদ্যুৎ উৎপাদন যেমন বেড়েছে, ব্যবহারও বেড়েছে। তবে সবাইকে বিদ্যুৎ ব্যবহারে যত্নবান হতে হবে। নিজের বাসার সুইচ নিজে অফ করলে কারও সম্মান যায় না। আমি নিজেও তা করি। আমার ছেলে-মেয়ে, নাতি-পুতিকে এই ট্রেনিং দেওয়া রয়েছে, যাতে বের হওয়ার সময় বিদ্যুতের সুইচ অফ করে যায়।’
প্রধানমন্ত্রী সরকারি কার্যালয়সহ সর্বত্র কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাংসদ, জনপ্রতিনিধিসহ সবাইকে বিদ্যুতের ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ দেন।
আওয়ামী লীগের দিদারুল আলমের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের সুযোগ করে দিয়েছিল, কোনো বাধা দেয়নি। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে এ সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেয়।
বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফেরত নেওয়ার ব্যাপারে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে ২৯ হাজার নিবন্ধিত রোহিঙ্গা শরণার্থী রয়েছে, অনিবন্ধিত রয়েছে কয়েক লাখ। আমরা নিবন্ধিত রোহিঙ্গাদের অবিলম্বে ফেরত নিয়ে যেতে বলেছি। আর যেন অনুপ্রবেশ না ঘটে, সে বিষয়ে মিয়ানমার আন্তরিক।’
বেলা সোয়া ১১টার দিকে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। এরপর প্রশ্নোত্তর পর্ব শুরু হয়।
প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগের শেখ ফজলে নূরের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
দেশের ৬২ শতাংশ মানুষ বিদ্যুতের আওতায় রয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু রাজধানীবাসীকে নয়, সারা দেশকে লোডশেডিংমুক্ত করতে চাই। বিদ্যুৎ উৎপাদন যেমন বেড়েছে, ব্যবহারও বেড়েছে। তবে সবাইকে বিদ্যুৎ ব্যবহারে যত্নবান হতে হবে। নিজের বাসার সুইচ নিজে অফ করলে কারও সম্মান যায় না। আমি নিজেও তা করি। আমার ছেলে-মেয়ে, নাতি-পুতিকে এই ট্রেনিং দেওয়া রয়েছে, যাতে বের হওয়ার সময় বিদ্যুতের সুইচ অফ করে যায়।’
প্রধানমন্ত্রী সরকারি কার্যালয়সহ সর্বত্র কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাংসদ, জনপ্রতিনিধিসহ সবাইকে বিদ্যুতের ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ দেন।
আওয়ামী লীগের দিদারুল আলমের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের সুযোগ করে দিয়েছিল, কোনো বাধা দেয়নি। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে এ সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেয়।
বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফেরত নেওয়ার ব্যাপারে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে ২৯ হাজার নিবন্ধিত রোহিঙ্গা শরণার্থী রয়েছে, অনিবন্ধিত রয়েছে কয়েক লাখ। আমরা নিবন্ধিত রোহিঙ্গাদের অবিলম্বে ফেরত নিয়ে যেতে বলেছি। আর যেন অনুপ্রবেশ না ঘটে, সে বিষয়ে মিয়ানমার আন্তরিক।’
বেলা সোয়া ১১টার দিকে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। এরপর প্রশ্নোত্তর পর্ব শুরু হয়।

0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন